Skip to main content
Open menu
Listolet

বাঙ্গালি নারী

হে মহীয়সী বাঙ্গালি নারী, তুমি মহাসমুদ্রের মত ওয়ান্ডারল্যান্ড।বিচিত্র চমৎকার? কিভাবে আগলে রেখেছ প্রত্যেকটা ঢেউ - কে । সবার ক্লান্তিতে আঁচড়ে আঁচড়ে পড়ো।তোমার এক হাসিতেই ঢেকে দিয়েছ সমস্ত দুর্ভিক্ষ অথবা হাহাঅন্যদিকে আমি তীরে পড়ে থাকা ক্ষুদ্র বালুকণা হয়ে তোমাকে জানিয়ে দিয়ে যাই। আমরা একটা বীভৎস দ…

By LISTOLET

2 min read

হে মহীয়সী বাঙ্গালি নারী, 


তুমি মহাসমুদ্রের মত ওয়ান্ডারল্যান্ড।বিচিত্র চমৎকার? কিভাবে আগলে রেখেছ প্রত্যেকটা ঢেউ - কে । সবার ক্লান্তিতে আঁচড়ে আঁচড়ে পড়ো।তোমার এক হাসিতেই ঢেকে দিয়েছ সমস্ত দুর্ভিক্ষ অথবা হাহাঅন্যদিকে আমি তীরে পড়ে থাকা ক্ষুদ্র বালুকণা হয়ে তোমাকে জানিয়ে দিয়ে যাই। আমরা একটা বীভৎস দুনিয়াতে চলে গিয়েছি এরই মধ্যে। ভুবন আর পৃথিবীর জায়গা এখনো হলনা তোমার গর্ভে। কতটা সাঙ্গরসিক ? অথছ কোন গর্তে যে ঈশ্বর ঘুমিয়ে আছে, জানিনা। আত্মচিৎকারে ডুকরে ডুকরে কেঁদে - ডেকেছি , বহুদিন তার দরনেড়েছি। এক বিন্দুও শোনেনি, মহাশয়। আমার কি দোষ- বল, ? মন তো মানেনা । নিষ্ঠুর...


তোমার বুকের ওপর স্বরবর্ণ আর ব্যঞ্জনবর্ণ মিলিয়ে অক্ষরে অক্ষরে কত শত হাজার লাইন। আশ্চর্যবোধক আর প্রশ্নবোধক চিহ্নের মাজখানে দাঁড়িয়ে আমি অবাক হয়ে তাকে বিশ্বকোষ ভাবতাম। আমার জ্ঞানের পরিধির সীমারেখা ধীরে ধীরে বেড়েই যেত, যখন তোমার খোলা হাওয়ায় নিজেকে ভাসাতাম । অথচ হটাত প্রস্থানে আমি বোকার মত বোবা হয়ে গেলাম। বিদায় থেকে আজ অবধি , মনে হয় জীবন আরও কিছুদিন সময় চেয়েছিল পাশাপাশি । এই বাবধানেই ভাবনা স্মরণ করিয়ে দেয়, তোমার বুকের ওপর আজ হয়তো মরা কাঁকড়ার আশ্রয় আর সেখানে পোকারা কিলবিল করছে।আমি আবার ফিরব! যুদ্ধ হবে কাঁকড়ার সাথে।


মৃত্যুকে - তুমি উল্লাসের সাথে উদযাপন করে স্বাগত জানাও । কয় জন পারে সেটা। আমিও সহযাত্রী তোমার। তুমি আর আমি ভীতু হয়ে বেঁচে থেকেই মরে যাচ্ছি বহুবার। ছলছলে অভিনয়ে সবকিছু উপেক্ষা করে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের অর্থহীন জীবন।একাকীত্ব- সব জায়গায়। মাজখানের রাস্তায় অথবা রেস্তরায়, সিগরেটের ধোয়ায় অথবা অজানা জ্বলিয়ো বাষ্পে, আনন্দ আড্ডায় অথবা জানালা দিয়ে দূরের ফ্যাঁকাসে আকাশে দ্যাখা শূন্যতায় । এই অর্থহীন জীবন খেয়াল করতে শুধু দেরি হয়ে গেল। ঈশ্বর ও টের পায়নি স্মরণ করিয়ে দিত । পাবে কিভাব? ওনার মত একা কি কেউ আছে? । ঈশ্বর ওপর থেকে দ্যাখে আর হাসে। ঈশ্বরের ঠাওর হলেই আমরা আমাদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে পৌঁছে যাব।

 

জীবন আর মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে জীবনের কাছে চাওয়া পাওয়া গুলি খুবি ঠুনকো হয়ে যায়। সেখানে ফেলে আসা জীবনেও কিছু থাকে না আর আগামীকাল কি হবে , কোথায় যাব? সেটিও অনিশ্চিত হয়ে যায়। এখন আগামীকাল আমার জন্য সত্যি এক সান্ত্বনা পুরুস্কার।নারী তোমায় অভিবাদন।


েজায় কড়া

Rate this piece

Comments

No comments yet