কোটা সংস্কার চাই
"মুজিবের বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই "বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সর্বপ্রথম ১৯৭২ সালে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটা ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়। সে সময় মেধাতালিকা ২০ শতাংশ বরাদ্দ রেখে, ৪০ শতাংশ জেলাভিত্তিক, ৩০ শতাংশ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য এবং ১০ শতা…
By Safayet Hossain
2 min read
"মুজিবের বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই "
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সর্বপ্রথম ১৯৭২ সালে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটা ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়। সে সময় মেধাতালিকা ২০ শতাংশ বরাদ্দ রেখে, ৪০ শতাংশ জেলাভিত্তিক, ৩০ শতাংশ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য এবং ১০ শতাংশ যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ নারীদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় । ১৯৭২ সাল থেকে চালু হওয়া কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে চাকরি প্রত্যাশী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃত্বে ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ধারাবাহিকভাবে বিক্ষোভ এবং মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। লাগাতার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের ফলে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৪৬ বছর ধরে চলা কোটাব্যবস্থা বাতিল ঘোষণা করে সরকার। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ হাইকোর্ট বাতিলকৃত কোটা পুনরায় বহাল করে।
গত ১৫ জুলাই দিনের আলোয় সাধারন শিক্ষার্থীদের উপর বাংলাদেশের সবচাইতে প্রাচীন ও বাংলাদেশের ইতিহাসের সকল আন্দোলনের সাথে আপোষহীন ছাত্রলীগের এমন নেক্কারজনক হামলা কতটা সমীচীন ছিল সেটা সকলের কাছে আমার প্রশ্ন? ছাত্রলীগ শুধু দিনের আলোতে হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি রাতের আঁধারে ও তারা হিংস্র পশুর মতো সাধারন শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করলো।আমি ২১ শে ফেব্রুয়ারি কিংবা ২৫ শে মার্চ ভয়াল কালো রাত দেখিনি আমি ১৫ই জুলাই দেখেছি । আমি আমার নিজ অবস্থান থেকে স্বজ্ঞানে ছাত্রলীগের এমন নিষ্ঠুর আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই ।। একই হলে পাশাপাশি সিটে থাকা,একই ডাইনিং শেয়ার করা ,একই পাঠাগার ব্যাবহার করা ,একই ক্লাসরুম শেয়ার করা এক ভাইয়ের উপর আরেক ভাই কখনো এমন হামলা করতে পারে না ।।
আমার ছাত্রলীগের ভাইয়েরা হয়তো জানেন না সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান "কোটা প্রথার সংস্কার" চেয়ে ৫ কোটি তরুন এবং ৩০ লাখ বেকারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং জেনে রাখুন সেটা কিন্তু শুরু হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের "সেন্ট্রাল লাইব্রেরি" থেক ।।
Rate this piece
Comments
No comments yet




