এখানে এখনও রাত
ভোরের আলো পেীছায় না এখানে অনেকদিনঅন্ধকার কাটেনা বলে এখানে সবসময় রাত ।কৃত্রিম বিদ্যূতে এখানে উৎযাপিত হয় জোৎস্নার উজ্জ্লতাচোখের জলে উপস্থাপিত হয় এখানে শরীরের উষ্ন নগ্নতা ।পুঁজিবাদিতে এখানের মানুষেরা সবকিছুকে ক্ষয়েছে মূল্যবোধকে উপেক্ষা করে চলছে এখানে মাংসের রাজনীতি ।কখনও অট্টহাসিতে ভেসে আসে অশ্ল…

ভোরের আলো পেীছায় না এখানে অনেকদিন
অন্ধকার কাটেনা বলে এখানে সবসময় রাত ।
কৃত্রিম বিদ্যূতে এখানে উৎযাপিত হয় জোৎস্নার উজ্জ্লতা
চোখের জলে উপস্থাপিত হয় এখানে শরীরের উষ্ন নগ্নতা ।
পুঁজিবাদিতে এখানের মানুষেরা সবকিছুকে ক্ষয়েছে
মূল্যবোধকে উপেক্ষা করে চলছে এখানে মাংসের রাজনীতি ।
কখনও অট্টহাসিতে ভেসে আসে অশ্লিল গালাগাল
দূর হতেও বাতাসের ধ্বনিতে কানে শোনা যায় ।
এখানেই বারবার উৎপাদন করা হয় শুক্রানু
দুটি থলথলে মাংসপিন্ডে পুরুষ খোঁজে শান্তি ।
একবার উলঙ্গ হলেই বাঁচার প্রত্যাশা যায় বেড়ে
সেই নারী তার চরিত্র হারায় মাত্র সত্তর টাকায় ।
চার দেয়ালের মাঝে সবাই বন্দি -যেন ১৬ শিক
হঠাৎ করেই সেখানে জরায়ু ধারণ করে নতুন প্রজন্ম ।
নারীর চোখের জলে জড়বস্তুও হয়ে আসে ভারি
পুরুষ হাসতে হাসতে পা রাখে পৃথিবীর বুকে ।
নারী ফিরে পায় আবার তার পূর্বেকার চরিত্র
বস্ত্র নিবারণ করে পেতেই হবে সত্তর টাকা ।
আর -
জোছনার নব্যতা কাটেনা ,ভোরের আলোও পেীছায় না
অন্ধকারে আলো আসেনা বলে এখানে এখনও রাত ।
Rate this piece
Comments
0No comments yet




